ভারত ও ইরানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের (Masoud Pezeshkian) সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ২১শে মার্চ, ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
নীচে এই আলোচনার মূল বিষয়বস্তুর বাংলা অনুবাদ ও সারসংক্ষেপ দেওয়া হলো:
আলোচনার মূল বিষয়সমূহ:
* শুভেচ্ছা বিনিময়: প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে ঈদ এবং নওরোজ (পারস্য নববর্ষ) উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এই উৎসবের মরসুম পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।
* আঞ্চলিক নিরাপত্তা: পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী মোদী ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, এই ধরনের হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করে এবং বিশ্বজুড়ে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে (global supply chains) ব্যাহত করে।
* সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা: প্রধানমন্ত্রী মোদী আন্তর্জাতিক নৌ-পথগুলো নিরাপদ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর (Strait of Hormuz) মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বাণিজ্য সচল রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়।
* ভারতীয়দের নিরাপত্তা: ইরানে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য ইরানের নিরন্তর সহযোগিতার প্রশংসা করেন মোদী।
* কূটনৈতিক সমাধান: প্রধানমন্ত্রী ভারতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানান যে, যেকোনো সংঘাতের সমাধান একমাত্র সংলাপ এবং কূটনীতির মাধ্যমেই সম্ভব।
এটি ছিল পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংকটের মধ্যে দুই নেতার দ্বিতীয় টেলিফোনিক কথোপকথন। এর আগে ১২ই মার্চ, ২০২৬-এ তাঁদের মধ্যে প্রথম দফায় কথা হয়েছিল।
